পেগাসাসের কাজ কর্ম
বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির উন্নতির সুযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার নানা ধরনের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। এজন্য
Read moreবর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তির উন্নতির সুযোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার নানা ধরনের অভিযোগ প্রায়ই গণমাধ্যমে পাওয়া যায়। এজন্য
Read moreশরতের বাতাসে মাথা দোলাচ্ছে কাশফুল, চারদিকে কেমন পুজোর গন্ধ। সাদা মেঘের আনাগোনায় নীল আকাশ চঞ্চল। ভেসে বেড়াচ্ছে শুভ্র মেঘ। কখনো
Read moreঅস্ট্রেলিয়াতে গরু ছাগলসহ অন্যান্য পশুর মতো ক্যাঙ্গারুও পোষা হয়। জাতীয় পশু হওয়ায় দেশটিতে এই প্রাণিটি খুবই মর্যাদার অধিকারী। তবে এবার
Read moreমানুষের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রেম বিষয়টি একদম ব্যক্তিগত হয়ে থাকে। কিন্তু প্রেমে পড়লে যদি কোনো দেশের প্রতিরক্ষা দফতরকে জানাতে হয় তবে
Read moreঅশোক দাশ ## তুমি আসবে বলে শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় ঝরে মুক্ত কণা, শিউলি বিছানো
Read moreমেশকাতুন নাহার ## শরৎ বাবু বলছে ডেকে যাবে আমার সাথে? শিউলি ফুল মালা গেঁথে দেব তোমার হাতে। শিশির
Read moreতুষার আচার্য্য ## শরতের আকাশের মেঘেদের ভেলার মৃদু গতিতে তোমায় খুঁজে পাই। প্রখর রৌদ্রের তপন দগ্ধে তোমায় খুঁজে পাই। সহসা
Read moreমূলত বর্ষা কাল হলেও এই সময়ে রোদ খুব প্রখর হয়। ভাদ্র-আশ্বিন মাসের রোদকে তাই তাল পাকা রোদও বলা হয়। বাজারে
Read moreঅগ্নিভ হালদার ## পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ উৎসব অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত ফুলের তোড়া, ফুলের মালাতে সুগন্ধীফুল হিসাবে বেলির কদর আছে। উৎসব ও অনুষ্ঠান বেলিফুল ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অর্থকরী ফুল। জাত: তিন জাতের বেলি ফুল দেখা যায়। যথা: ১। সিঙ্গল ধরনের ও অধিক গন্ধযুক্ত। ২। মাঝারি আকার ও ডবল ধরনের। ৩। বৃহদাকার ডবল ধরনের। বংশ বিস্তার বেলি ফুল গুটি কলম, দাবা কলম ও ডাল কলম পদ্ধতির মাধ্যমে বংশবিস্তার করা হয়। জমি চাষ ও সার প্রয়োগ বেলে মাটি ও ভারী এঁটেল মাটি ব্যতীত সব ধরনের মাটিতে বেলি ফুল চাষ করা যায়। জমিতে জল সেচ ও জল নিকাশের ব্যবস্থা থাকা ভালো। জমি ৪-৫টি চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরা ও সমান করতে হবে। জমি তৈরির সময় জৈব সার, ইউরিয়া, ফসফেট এবং এমওপি প্রয়োগ করতে হবে। প্রায় ১ মিটার অন্তর চারা রোপণ করতে হবে। চারা লাগনোর পর ইউরিয়া প্রয়োগ করে জল সেচ দিতে হবে। কলম বা চারা তৈরি গ্রীষ্মের শেষ হতে বর্ষার শেষ পর্যন্ত বেলি ফুলের কলম বা চারা তৈরি করা যায়। চারা থেকে চারা ও সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সেমি. হতে হবে। চারা লাগনোর জন্য গর্ত খুঁড়ে গর্তের মাটির রোদ খাইয়ে, জৈব সার ও কাঠের ছাই গর্তের মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। এরপর প্রতি গর্তে বেলির কলম বসাতে হবে। বর্ষায় বা বর্ষার শেষের দিকে কলম বসানোই ভালো। তবে সেচের ব্যবস্থা ভালো হলে বসন্তকালেও কলম তৈরি করা যায়। টবে চারা লাগনো জৈব পদার্থ যুক্ত দোআঁশ মাটিতে ইউরিয়া, এসএসপি ও এমওপি সার পরিমাণমতো মিশিয়ে টবে বেলি ফুলের চাষ করা যায। টব ঘরের বারান্দা বা ঘরের ছাদে রেখে দেওয়া যায়। পরিচর্যা সেচ দেওয়া বেলি ফুলের চাষে জমিতে সবসময় রস থাকা দরকার। গ্রীষ্মকালে ১০-১২ দিন পরপর শীতকালে ১৫-২০ দিন পর পর ও বর্ষাকালে বৃষ্টি সময়মতো না হলে জমির অবস্থা বুঝে ২-১ টি সেচ দেওয়া দরকার। আগাছা দমন
Read more