কমলার আরোগ্য

রাজর্ষি বর্ধন, আগরপাড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ##

মিহি রেশমের মতো শীত পড়েছে সকাল থেকে। আজ রোববার, শীতের আমেজ গায়ে মাখিয়ে কালিকাপুরবাসী অনেক বেলা অবধি বিছানায় পড়ে থাকে। একটাই ছুটির দিন হপ্তায়, মরদগুলো গতরাতের নেশা চোখে নিয়ে মটকা মেরে থাকে! রোববারের বাজার-হাট তাই ঘরের মেয়েদেরই করতে দেখা যায় কালিকাপুরে! স্টেশনের পাশের কুলিবস্তির এ খুব চেনা ছবি! রোববার রান্না চাপানোরও তেমন তাড়া  থাকে না, সারাদিন অফুরান সময়!

তবে আজকের ব্যপারটা একটু আলাদা। আজ সাতটার আগেই সবার ঘুম ভেঙ্গে গেছে! কি মরদ, কি মেয়েছেলে! মরদগুলো গতরাতে এক ফোঁটাও মদ খায়নি! আজ যে গ্রামে হেলথ ক্যাম্প আছে, মদ খেলে কি চলে! প্রত্যেক ছমাস অন্তর গ্রামে হেলথ ক্যাম্প হয়। আটটা থেকে ক্যাম্প শুরু হয়, কিন্তু সাতটার আগেই লাইন লেগে যায়! মহিলাদের জন্য একটা লাইন।   বাচ্চা, বয়স্ক, মরদদের জন্য আলাদা আলাদা লাইন। ব্লক জেনারেল হাসপাতাল থেকে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সরকারি খরচেই প্রেশার, সুগার, ছানি ইত্যাদি পরীক্ষা করা হয়, তাই এই সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে না। গ্রামবাসীর পাশাপাশি তাই অনেক “বড় ঘরের” লোকও এখানে “চিক-আপ” করাতে আসে!

এইরকম ক্যাম্প হলে কমলার নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসত হয়না! গ্রামেরই মেয়ে কমলা, দক্ষিনে বাড়ি – কুলিবস্তির উল্টোদিকে। কালিকাপুরের সব চাইতে ডাকসাইটে ডাক্তার শশধরবাবুর “হেল্পিং হ্যান্ড” সে! শশধর মল্লিকের বয়স সত্তর ছাড়িয়েছে, বয়সের ভারে শ্লথ হয়ে গেলেও ডাক্তারি জ্ঞানে ভাটা পড়েনি!  তাঁকেই হাতে-হাতে সাহায্য করে কালিকাপুর উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের টুয়েল্ভে পড়া কমলা!  এই ডাক্তারবাবুর বাগানের মালি ছিল কমলার বাবা। কমলার যখন সাত বছর বয়স তখন পাশের গাঁ মুকুন্দপুরের হাট থেকে সন্ধ্যে বেলা ফেরার সময় লরি চাপা পড়ে মারা যায় কমলার বাবা-মা! ভারী মর্মান্তিক ঘটনা! সেই থেকেই কমলা দাদু-দিদার আশ্রয়ে! কমলার পড়াশুনোর সমস্ত দায়িত্ব নেন শশধর ডাক্তার। আজ কমলা দ্বাদশ শ্রেণীর একজন কৃতী ছাত্রী, বিজ্ঞান তার বিষয়! এই যে  কমলা শশধরকে সাহায্য করে সেটা সে স্বেচ্ছায় করে, পরিবার থেকেও কোন আপত্তি করেনা! কমলার আপত্তি থাকলেও শশধর তাকে মাসে মাসে হাতখরচা দিয়ে থাকেন। শশধরের সান্নিধ্যে থাকতে থাকতে তারও ওষুধ সম্পর্কে ধারনা হয়ে গেছে। বুড়ো শশধর তাই রোগী দেখতে দেখতে কোন ওষুধের নাম ভুলে গেলে তা সাথে সাথে মনে করিয়ে দেয় কমলা! তার এই উৎসাহ দেখে শশধর ডাক্তার মাঝে মাঝে বলেন, “ ডাক্তারি পড়তে চাস  নাকি? তাহলে এখানে পড়ে না থাকে সারাদিন পড়াশুনো কর!” বা কখনও হাল্কা ঠাট্টা ছুড়ে দেন কথায়, এই বলে, “ তোর সেবা কতদিন পাবো কে জানে! সেই তো টুয়েল্ভ পাশ করে শহরের কলেজে যাবি পড়তে, তারপর বিয়ে করবি – আমাকে কি আর মনে থাকবে!” শুনে কমলা শুধু মুখ লাল করে, কিছু বলে না!

হেলথ ক্যাম্প আসলে শশধরবাবুর ব্যস্ততা বেড়ে যায়! ব্লক হাসপাতাল থেকে আগের রাতেই ওষুধপত্র চলে আসে, সেগুলো রাখা হয় শশধরবাবুর চেম্বারেই। সেসব ব্যপারে কমলা নানাভাবে সাহায্য করে। তাছাড়া ক্যম্প চলাকালীনও কমলার উপস্থিতি নজর করা যায়। এককথায়, কমলা ছাড়া শশধরবাবু অন্ধকার দেখেন এই সময়!

আজকেও যেমন, সকাল থেকেই হুলুস্থুল কাণ্ড! দরকারি জিনিষপত্র সব এধার-ওধার হয়ে আছে, একটা  পাওয়া গেলে আর একটা পাওয়া যাচ্ছে না! সিরিঞ্জ পাওয়া গেলে গ্লাভস পাওয়া যাচ্ছে না, গ্লাভসের খোঁজ মিললে ব্লাড টেস্টের সরঞ্জাম উধাও! কিন্তু শশধরবাবু দিশেহারা হওয়ার আগেই কমলা সব লিস্ট মিলিয়ে পর পর জিনিষগুলো সাজিয়ে দেয়! এক কথায়, কালিকাপুরের হেলথ ক্যাম্প কমলা ছাড়া অচল!

সাতটা বাজতে না বাজতেই বটগাছতলায় লোক জমাইয়েত হতে লেগেছে। মহিলাদের লাইনটা অনেক লম্বা হয়ে গেছে দেখতে দেখতে। সকাল সকাল এ ঝামেলা মিটিয়ে আবার কাজে লাগতে হবে –

-গেলোবার যে ওষুধটা দিছিলেন খেয়ে ভালো ছিলাম, এখন শীতে ব্যাথটা ফের চাগাড় দিছে!

-কি, পেচ্ছাপে এখনও ব্যাথা হয়! কুলত্থ খেতে বলেছিলাম খেয়েছিলে ?

-পেট মে জ্বলন হোতা হ্যাঁয় – অউর টাট্টি ভি সাভ নহি হোতা ?

– আপনার মেয়ের সমস্যা ওকেই বলতে দিন – বলত মা –

এই  হলো ক্যাম্পের চেনা ছবি!

পাঁচজন ডাক্তারের মধ্যে দুজন লেডি ডাক্তার। বাকি তিনজনের মধ্যে একজন অল্পবয়সী যুবক। লেডি ডাক্তারেরাও অল্পবয়সী। কমলা জানতে পারল, এইসব কমবয়সী ডাক্তারেরা সদ্য এম ডি পাশ করেছে, এখন শিক্ষানবিশ আছে! আগেও এমন অনেকে এসেছে। তারা, বিশেষ করে লেডি ডাক্তারেরা তার সঙ্গে ভালোভাবে মেশে, তার তৎপরতার প্রশংসা করে!  সেও দাক্তারদিদিদের যথাসাধ্য সাহায্য করে। ছোকরা ডাক্তারদের কাছ থেকেও হাল্কা ফ্লারটের আভাস পেয়ে থাকে। যেটা জানানো দরকার, কমলা দেখতে বেশ সুন্দরী । পাকা গমের রঙ বুঝি ওর গা দেখেই বোঝা যায়, মুখশ্রীও যথেষ্ট সুশ্রী! গ্রামের আর পাঁচটা মেয়ের চেয়ে লম্বাই সে। দুবছর আগেও চোখে নিয়মিত কাজল পড়ত, সেই চোখের দিকে তাকালে তপ্ত গরমে টলটলে পুকুরের জল দেখার প্রশান্তি ছিল! শাড়ি পড়ে স্কুলে গেলে ওকে পূর্ণাঙ্গ নারী বলে মনে হয় !

-এই ঠিকঠাক লাইনে দাঁড়ান, এক-এক করে হবে।

– আপনার যা সমস্যা তাতে ইউ মাস্ট কন্সাল্ট ওয়ান এন্ডওক্রাইনোলজিস্ট! আই মিন – বলে এক তরুণী ডাক্তার কাচুমাচু মুখে তার সিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করে, বাংলায় কি বলে ?

এইভাবে ক্যাম্প চলতে থাকে। বেশিরভাগেরই পেটের সমস্যা। কালিকাপুরের জল ভালো নয়, তাই পেটের সমস্যা লেগেই থাকে। ডাক্তারবাবুরা রোগী দেখছে, আবার অবসরে নিজেদের মধ্যে গল্পগুজবও করছে, শুধু ওই নতুন ছোকরা ডাক্তারটা গম্ভীরভাবে রোগী দেখে যাচ্ছে, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে অল্প কথায় সেরে দিচ্ছে! তার এই গেরামভারী আচরণের জন্য তাকে  ‘ছোকরা’ বলতেও দ্বিধাবোধ করছে কমলা!

ক্যাম্পে গ্রামের লোকের জটলা বাড়ছে। বয়স্কদের লাইনেও দু’ একজন করে রোগী আসছে। সাথে বাড়ির লোকজনও আছে। এই বয়স্কদের দেখছে সেই ছোকরা ডাক্তারটা! ইতিমধ্যে তার নামও জানতে পেরেছে কমলা, অনিরুদ্ধ  বলে ডাকছিল সবাই তাকে! তেমন গেরামভারী নাম যা হোক! কমলার বেশ মজা লাগছিল এই ব্যপারে – একে বারে উল্ট-পুরান! একেই বয়স্ক রোগীর সংখ্যা কম। অনিরুদ্ধ হয়ত চাইছে পুরুষ কিংবা মহিলাদের দেখতে, সেখানে  সে নিজের ডাক্তারি বিদ্যা জাহির করতে পারবে হয়ত! তার বদলে তাকে বসানো হয়েছে বুড়োদের দেখতে! এর জন্যই বাবুর এতো রাগ! হাসি পেলো কমলার!

ছ’ নম্বর রোগী দেখার সময় একটা কাণ্ড ঘটল! রোগী বয়স্ক, কফের সমস্যা। বুকে সর্দি জমা, তাতে মরচে পড়া মেশিনের মতো শব্দ হচ্ছে শ্বাস নিলে। অনিরুদ্ধ গম্ভীর হয়ে নল ঠেকিয়ে পরীক্ষা করল, তারপর প্যাডে খসখস করে লিখে বলল,”কয়েকটা পরীক্ষা করিয়ে নেবেন, আর ওষুধগুলো নিয়মিত খাবেন। হাসপাতালে এই প্রেসক্রিপশন দেখালেই সরকারি ওষুধ পাওয়া যাবে, পয়সা লাগবে না!”

বৃদ্ধ ব্যজার মুখ করে বলল, “ ও সরকারি দাওয়াই লিয়ে কুছ লাভ হবে না!”

অনিরুদ্ধ কপালে ভাজ ফেলে বলল, “ লাভ হবে না মানে ?”

“ উও দাওয়াই কাম করে না! হাম পহেলে ভি লিয়ে থে, কই ফায়দা নহি হুয়া!”

অনিরুদ্ধ জবাব দিলো, ‘ নিশ্চয়ই নিয়মিত খাননি!”

বৃধ কিছু একটা জবাব দিলো। কমলা জানে, এখন অনেক ওষুধই কাজ করে না, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক। এটা শুধু তাদের গ্রামের না, গোটা পৃথিবীর সমস্যা। খবরের কাগজ পড়ে এই ব্যপার তার অজানা নয়। তাই সে মাঝখান থেকে বলল, “ বাসকপাতার রস কিন্তু সর্দির জন্য ভালো ওষুধ!”

অনিরুদ্ধ ডাক্তার তার দিকে ফিরে তাকাতেই তার রক্ত যেন হিম হয়ে গেলো! তবে অনিরুদ্ধ তার ভয় কাঁটিয়ে দিয়ে হাল্কা স্বরেই  বলল,’ বাসক পাতার রস নিঃসন্দেহে খুব ভালো ওষুধ, কিন্তু সর্দি সারাতে কতো সময় নেবে জানেন! বিশেষ করে এরকম ক্রনিক ব্রংকাইটিস কেসে!”

অনিরুদ্ধ তাকে ‘আপনি’ বলাতে কমলা আরও অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল। জবাবে কি বলবে তা মনের মধ্যে গুছিয়ে নিতে পারল না! তবু কোনরকমে বলল, “ এলোপ্যাথি ওষুধ যে ঠিকঠাক কাজ করবে তাঁরই বা কি মানে আছে!”

শোনার পর অনিরুদ্ধর মুখভঙ্গি পাল্টে গেলো, ফর্শা মুখ লাল হয়ে উঠল! কমলার বুকের মধ্যেও দুরুদুরু শুরু হল, কিন্তু কথাবান যে নিক্ষেপ হয়ে গেছে, এখন কি পরিণতি  হয় কে জানে!

অনিরুদ্ধ তবু  বরফ ঠাণ্ডা গলায় বলল, “ সবাই যদি ডাক্তার হয়ে যেতো তাহলে আমাদের প্রয়োজন কি!” বলে ফিরে গেলো নিজের কাজে!

বাকি সময়টা তাদের মধ্যে কথা তো দূর, মুখ দেখাদেখিও হল না!

দেড়টায় ক্যাম্প মিটল । তারপর গোছগাছ, শেষে খাওয়া-দাওয়ার পালা। কমলাদের গ্রামের ভেতরে খাওয়ার ব্যবস্থা নেই, তাই ডাক্তারবাবুদের যেতে হবে বাসস্ট্যান্ডের কাছের হোটেলে। সেটারই তোড়জোড় শুরু হল। ক্যাম্প মিটে গেলেও অনিরুদ্ধর কথাগুলো কমলার কানের কাছে বাজতে থাকল। সে  ডাক্তার না হতে পারে, তাই বলে কিছুই জানে না এমন তো নয়! অনেক সময় বড় বড় ওষুধের চাইতে এই ধরণের টোটকা অনেক কার্যকরী হয়, সুযোগ পেলে সে অনিরুদ্ধকে দেখিয়ে দেবে!

সেই সুযোগই যে এমন অপ্রত্যাশিতভাবে এসে যাবে তা ভাবা যায়নি!

দুপুরের খাবার জন্য  বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল সবাই। কালিকাপুরের রাস্তা ভয়াবহ, তাই গাড়ির বদলে ডাক্তারেরা এসেছিল টোটোতে, অনিরুদ্ধ এবং আর একজন এসছিল  বাইকের পেছনে বসে। ফেরবারও সেই একই ব্যবস্থা। আর ফেরার পথেই বিপত্তি ঘটে! গ্রামের রাস্তা এবড়ো-খেবড়ো হওয়ায় অনিরুদ্ধদের বাইকটা বেসামাল হয়ে পড়ে যায়! কেউই গুরুতর আহত হয়নি, শুধু অনিরুদ্ধ গোড়ালিতে চোট পেয়েছিল! তাকে ধরে আনা হল শশধর ডাক্তারের বাড়িতে।

আহত অনিরুদ্ধকে দেখে শশধরবাবু শশব্যস্ত হয়ে উঠলেন। শহরের ডাক্তার, প্রথমবার ক্যাম্প করতে এসে আহত হয়েছে, ঠিকঠাক সুস্থ না করতে পারলে গ্রামের নাক কাঁটা যাবে! তিনি সেবা করার জন্য উঠেপড়ে লাগলেন!

কমলা পাশের ঘরেই ছিল। যন্ত্রণাকাতর অনিরুদ্ধকে দেখে প্রথমে কৌতুক বোধ করলেও পরক্ষনেই মনের মধ্যে সহানুভূতির উদ্বেগ হয়!  ইস, মানুষটার সত্যি  লেগেছে, নইলে এমন বড় মানুষ এমন কোঁকায়! সে রান্নাঘরের দিকে ছুটল!

বিছানার একপাশে শুয়ে পা টা ধরে দাঁত চেপে  ব্যাথাটাকে নিবৃত করার চেষ্টা করছিল। চোখে-মুখে তখন অন্ধকার দেখছিল! হঠাৎ আধবোজা চোখের ফাঁকে দেখতে পেলো, একটা মূর্তি বিছানার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। চমকে উঠে সে দেখল – কমলা, হাতে একটা বাটি! তাকে দেখে ব্যাথা ভুলে সে জিজ্ঞেস করল, “ আ- আপ- তু- তুমি ?”

কমলা জবাব দিতে পারল না, সারা ধমনীতে লোহিতকনিকাগুলো যেন ক্ষেপে গিয়ে ছোটাছুটি শুরু করে দিলো! বুকের ভেতর কেন এমন ধরাস-ধরাস ? নিজেকে সামলে নিয়ে সে বলল, “ দেখি – কোথায় লেগেছে!”

অনিরুদ্ধ কমলার হাতের বাতিখানা দেখে বলল, “ ওতে কি আছে ?”

-চুন-হলুদ, ব্যাথায় দারুন কাজ দেয়!

ব্যাথা মুখেই অনিরুদ্ধ হেসে বলল, “ প্রিমিটিভ মেডিকেশন! ফুঃ! একটা পেনকিলার খেলে –

অনিরুদ্ধর হাসির জবাবে কমলা বলল, “ আমাদের বাড়ির পাশেই কুলি-বস্তি, সেখানকার ব্যাটাছেলেরা লোহালক্কড় নিয়ে দিনরাত কাজ করে, হাতে পায়ে চোটও পায়ে। তারা গরীব, পেনকিলার পাবে কোথায় ?? চুন-হ্লুদ মেখে  দিব্যি ব্যাথা কমিয়ে পরের দিন কাজে বেরয়! মেডিকেশন প্রিমিটিভ হলেও এফেক্টিভ!”

কমলার জবাব অনিরুদ্ধ বাকরুদ্ধ হয়ে গেলো! সে যন্ত্রের মতো বা-পায়ের প্যান্টটা খানিকটা তুলে  গোড়ালির অংশটা দেখাল। কমলাও চুপচাপ সে যায়গায় চুন-হলুদ মাখাতে লাগল।

অলক্ষে নিয়তি হয়ত নিজের ল্যাপটপে নতুন কোন উপখ্যান লিখতে ব্যস্ত! হোক না  যতই একুশ শতক, মানুষের প্রবৃত্তি তো পাল্টায়নি!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *