খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙার উপকারিতা

চলজে রমজান মাস। এই সময় রোজাদাররা ইফতারিতে খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন। সারাবিশ্বেই এ রীতির চল রয়েছে। কিন্তু এ কাজ কি শুধুই রীতি মেনে করা হয়? নাকি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙলে শরীরেরও উপকার হয়?

প্রথমত, সারাদিন রোজা রাখার পর এমন কিছু খাওয়া জরুরি, যা কম সময়ে জোগাবে কর্মশক্তি। তার জন্য খেজুর খুব উপযোগী একটি খাদ্য। পাশাপাশি, খেজুরে রয়েছে আরও নানা গুণ।

 জেনে নেওয়া যাক তেমন কয়েকটি গুণাগুণ-

* খেজুর হজমশক্তি বাড়াতে সক্ষম। সারাদিন না খাওয়ার পর সন্ধ্যায় ইফতারে ভালমন্দ খাওয়ার চল রয়েছে গোটা বিশ্বেই। বিশেষ করে নানা ধরনের ফল এবং ভাজাপোড়া খান অনেকে। খেজুর সেসব খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

*  খেজুরে রয়েছে পুষ্টির নানা উপাদান। বিশেষ করে সারাদিন রোজা রাখার কারণে শরীরের ফাইবার প্রয়োজন। খেজুর তা জোগাতে পারে।

* রোজা মানেই সারাদিন কিছু না খেয়ে থাকা। কিন্তু দিনের কাজ তো চালিয়ে যেতে হয়। তার জন্য শরীর সচল রাখতে হবে। খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন। এই তিনটি উপাদান শরীর সচল রাখে।
* খেজুরে উপস্থিত রয়েছে ক্ষারীয় লবণ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রাও।

* খেজুর হজম করাও সহজ।

তাই এত সব কারনের জন্য খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙার রীতি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে, এবং তা স্বাস্থ্যকরও বটে। তবে খেজুরের অসংখ্য উপকারিতা থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে খেজুর গ্রহনে সতর্ক হওয়া উচিত। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা খেজুর গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করবেন এবং যাদের দেহে পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি তারাও খেজুর খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ten − 2 =